পুজোর আগেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল এক বিরাট ঘূর্ণাবর্ত। পূজো কেমন কাটবে, তা নিয়ে চিন্তায় ছিল বঙ্গবাসী কিন্তু মোটের উপর বেশ ভালোই কাটে পুজো। যদিও নবমী দশমীর দিন বাংলার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে মাটি পরেছিল পুজোর আনন্দ। তারপর কালী পুজোতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়। কিন্তু সেই পরিসংখ্যান মিথ্যা করে দেখা যায়, বৃষ্টি তো দূর আকাশে মেঘ পর্যন্ত জমেনি
। আবার ভাই ফোটার পরে আকাশের মুখ ভার হতে শুরু করে। শীত পড়তেই রোদ বৃষ্টির খেলায় জেরবার বঙ্গবাসী। আবারো কি একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। যে কোন মুহূর্তের সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে বলেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার তার অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে হলে আগামী পাঁচ দিন পশ্চিমবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের আধিকারিক জানাচ্ছেন রবিবার আন্দামান সাগরের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে তবে সেটি এখনো পর্যন্ত সম্ভাব্য। সেটি শক্তি বাড়িয়ে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের উপরে আছড়ে পড়তে পারে। চলতি সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির কোন পূর্বাভাস দেয়নি হাওয়া অফিস। মোটের উপরে পরিস্থিতি বেশ ভালোই রয়েছে, উল্টে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে
। নিম্নচাপ কি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে একটি মডেল তৈরি হতে পারে ডিসেম্বরের প্রথমে তাতে শীত খুব একটা বাধা প্রাপ্ত হবে না। এই ঘূর্ণিঝড় বাংলা নয় পার্শ্ববর্তী রাজ্য উড়িষ্যার উপরে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আপাতত ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব আশঙ্কা নিয়ে কোন হুলিয়া জারি করতে পারছে না আবহাওয়া দপ্তর

