Sunday, May 24, 2026
আরও
    HomeদেশParenting - বাচ্চা হবে জিনিয়াস! চাকরি করে সন্তান সামলানো আর কঠিন নয়,মেনে...

    Parenting – বাচ্চা হবে জিনিয়াস! চাকরি করে সন্তান সামলানো আর কঠিন নয়,মেনে চলুন সহজ ৬ টিপস

    মা হওয়া কি মুখের কথা। এই কথার মধ্যে যে শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার তাগিদ লুকিয়ে আছে এমনটা নয় এর সাথে জড়িয়ে রয়েছে সন্তান মানুষ করার পর্ব। সন্তান মানুষ করেন শুধু মাত্র বাবা মা নন বরং গোটা পরিবার। তবে এক কামরার পরিবারে বাবা-মায়েরা হয়ে ওঠেন সন্তানের অভিভাবক। বর্তমান সমাজে প্রায় প্রতিটি পরিবারে মা-বাবা দুজনেই ওয়ার্কিং। সন্তান মানুষ করার চাবিকাঠি অনেকটাই মায়ের উপরেই বর্তায়। অফিস বাড়ি সন্তান বড় করা চাড্ডি খানিক কথা নয়। তবে সঠিক পরিবার পরিকল্পনা থাকলে সন্তান মানুষের মতো মানুষ করে তোলা যায়। কয়েকটি বিষয় অবশ্যই ভেবে রাখতে হবে বাবা-মাকে। সঠিকভাবে সময়ানুবর্তিতা বা টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখতে হবে। সময় তার মতন ঘুরে যাবে কিন্তু আপনাকে বেঁধে রাখার কৌশল জানতে হবে। নিজের এবং সন্তানের জন্য একটা রুটিন তৈরি করে ফেলুন। সেটা লিখে রাখতে পারেন এরপর সেই অনুযায়ী চলুন। যখন আপনি নিজের যত্ন নিতে পারবেন তখন আরো পাঁচ জনের যত্ন নিতে সক্ষম হবেন। শুধু সন্তান নয় পরিবারের বয়স্ক থেকে মাঝ বয়সী মানুষদের যত্ন এবং খেয়াল রাখতে পারবেন। জীবনশৈলী ঠিক রাখতে ওয়ার্ক আউট মেডিটেশনের সময় বার করতে হবে। এছাড়া নিজেকে সময় দিতে হবে। এতে মন থাকবে ভালো আর সন্তানকেও পূর্ণতা দিতে পারবেন।

    সন্তানের প্রতি অনেক বাবা মায়েরাই উচ্চ আকাঙ্ক্ষা রেখে থাকে এটা করলে চলবে না। উচ্চ প্রত্যাশা নিয়ে সন্তানকে ধাবিত করবেন না এতে সন্তান ইঁদুর দৌড়ে শামিল হয়ে যাবে তাতে ক্ষতি হবে আপনার। নিজের দক্ষতা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করুন সন্তানকেও সেই কাজেই নিয়োজিত করুন। কোন কাজ করতে না পারলে কিংবা ভুল হলে তা নিয়ে অনুশোচনা করবেন না। বলা ভালো করে ফেলা কাজ নিয়ে দ্বিতীয় বার ভাববেন না।। সন্তানকে সামলানোর ক্ষেত্রে নিজের এবং নিজের কাছের মানুষদের প্রাধান্য দিন। ব্যস্ত থাকলে বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাহায্য নিতে পারেন। শিশুরা শুধুই সন্তান নয়, তারা অপত্য। একজন বাবা মায়ের প্রতিরূপ তারা। শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে কর্মরতা মায়েদের বিশেষভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন। নিজের কাজের ফাঁকেও সন্তানের জন্য সময় বার করতে হবে। সপ্তাহে একদিন সিনেমা দেখুন সন্তানকে প্রতিদিন পার্কে নিয়ে যান। কমপক্ষে একদিন তাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসুন। প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করুন আর মনের কথা শুনুন।

    কোন কাজ কিভাবে করবেন তার একটা রুটিন করে সম্পাদন করুন। সবসময় বাচ্চাদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলুন আপনার কাজের চাপের কোন প্রভাব ব্যতীত আপনার সন্তানের উপর না করে। বাবা এবং মা দুজনকেই খুশি থাকতে হবে। মন রাখবেন আপনাদের সাংসারিক কোন বিশৃঙ্খলা তার প্রভাব যাতে ছোট্ট সোনার মধ্যে না পড়ে। তাকে এগিয়ে নিয়ে যান সমাজের উপযোগী গড়ে তুলুন।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    সর্বশেষ খবর

    মন্তব্য