ওটা যাদবপুর নয় আতঙ্কপুড়ে পরিণত হয়েছে। যাদবপুর কান্ড নিয়ে ঠিক এভাবেই নিজের ধিক্কার পোষণ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। গোটা রাজ্য শিহরিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মৃত্যু কান্ড নিয়ে। একের পর এক রহস্যের জাল খুলছে। নানান রকম বিস্ফোরক তথ্য আসছে তদন্তকারীদের হাতে। কলকাতা পুলিশের মহা নির্দেশক বিনীত গোয়েল আগেই জানিয়েছিলেন খুব তাড়াতাড়ি দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দেবো আমরা, তদন্ত প্রক্রিয়া প্রায় শেষের দিকে।
ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনী তথা হোস্টেলের আবাসিক সৌরভ চৌধুরী এবং দুই বর্তমান ছাত্র মনোতোষ ঘোষ ও দীপশিখরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যে প্রধান হোস্টেলের ঘরে প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়া গেস্ট হিসেবে ছিলেন সেই ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই ডাইরিতে মৃত ছাত্রের হাতের লেখা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই নিয়ে ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একটি চিঠি পাওয়া যায় যার লেখক ছিলেন দীপশিখর। মৃত পড়ুয়ার হোস্টেলের ঘর থেকে আরও কিছু চিঠি উদ্ধার হয়েছে। শেষ চিঠি লেখা রয়েছে ১০ আগস্ট। তার আগের দিন রাত্রে ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ছাত্রর। তারপরে কেন এই চিঠি লেখা হল তাই নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে। চিঠি লেখা রয়েছে ডিনকে উদ্দেশ্য করে। দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর কেন লেখা হল এই চিঠি। এই চিঠি লিখতে বাধ্য করা হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শনিবার নদীয়ার রানাঘাটে মৃত পড়ুয়ার মামা বাড়ি থেকে দুটি খাতা সংগ্রহ করে ফরেনসিক ডিপার্টমেন্ট তাতে ওই পড়ুয়ার সই পাওয়া গিয়েছে।
ডায়েরির স্বাক্ষরের সঙ্গে সেগুলো মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে পরিবারের দাবি ওই ডায়েরীতে বেশিরভাগ লেখা তাদের ছেলেকে লিখতে বাধ্য করা হয়েছিল। বারবার চিঠি লিখেও কেন সেগুলো পাঠানো হয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রেও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল ওই পড়ুয়ার উপর? ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

