বাঙালির প্রাণের পূজো দুর্গা পুজো কিন্তু তা সত্বেও আরো বিভিন্ন পূজোয় মেতে ওঠে আম বাঙালি তার মধ্যে অন্যতম জগদ্ধাত্রী পূজা। জগদ্ধাত্রী আসলে দেবী দুর্গার এক রূপ। জগদ্ধাত্রী পুজোয় সেজে ওঠে চন্দননগর কৃষ্ণনগর কিন্তু সাবেকিয়ানা ও জৌলুসের ক্ষেত্রে সবাইকে টেক্কা দেয় চন্দননগর। নতুন রূপে সেজে উঠেছে এবারের জগদ্ধাত্রী পূজার মন্ডপগুলি ডেস্টিনেশন যদি থাকে চন্দননগর তবে দেখে নিন কোথায় কোথায় যাবেন। একেবারে প্রথমেই রয়েছে চাউল পট্টি আদিমায়ের পুজো। সবচেয়ে পুরনো পুজো আনুমানিক ৩০০ বছর বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখানে আদি জগদ্ধাত্রী হিসেবে পূজিত হন মা থীমের কারুকার্যে এখানে পেয়ে যাবেন ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। এরপরেই রয়েছে চন্দননগর কানাইলাল পট্টির পুজো এবারে তাদের পঞ্চাশ তম বর্ষ থিম দায়বদ্ধ
। কারা এই দায়ভার বহন করবে তা এখানে আসলেই বুঝতে পারবেন মন্ডপ শয্যায় ব্যবহৃত হয়েছে ভোটটার খোসা কলার পেটো নারকেলের ছাল। বিহার এবং উড়িষ্যা থেকে কারিগরি শিল্পীদের আনা হয়েছে মা এখানে প্রকৃতি। এরপরই রয়েছে মধ্যাঞ্চল সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো। চন্দননগরের বিগ বাজেটের ও জনপ্রিয় পুজো গুলির মধ্যে অন্যতম। এবারে তাদের থিম মনে রাখো। কি মনে রাখবেন তা মন্ডপে গেলে চাক্ষুস করে তবেই মনে ধরবেন। এরপরেই রয়েছে হাটখোলা দৈবক পাড়ার পুজো। তাদের এবারের থিম জ্যোতির্ময়ী মা এখানে রণাঙ্গনে সজ্জিত এবারে তাদের পুজো ৫১ তম বর্ষ।। চন্দননগরের মনসাতলা জগদ্ধাত্রী পুজোর কথা না বললেই নয়, এবারে ৬২ তম বর্ষে পদার্পণ আর থিম আলোর স্পর্শ। চন্দননগরের আলোর খেলার কথা তো আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখেনা সেটাই অন্যভাবে প্রতিভাত হয়েছে এই প্যান্ডেলে। হুগলি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে তাদের প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মোট ১৭৭ টি পুজো
। এরমধ্যে চন্দননগরে ১৩৩ টি ও ভদ্রেশ্বরে ৪৪ টি। অন্যান্য সেরার সেরা পুজোগুলি হল মানকুন্ডু সর্বজনীন বাবুর বাজার সর্বজনীন রথের সড়ক সর্বজনীন চাপাতলা গড়ের ধার ,তেমাথা সর্বজনীন। কয়েক ঘন্টার জন্য মন জুড়িয়ে নিতে আর চোখের শান্তি পেতে ছুটে আসতে পারেন চন্দননগরে।

