-
গত কয়েকদিন ধরে দূষণে বিপর্যস্ত রাজধানী দিল্লি। জরুরী ভিত্তিতে বন্ধ রয়েছে সমস্ত সরকারি অফিস থেকে স্কুল কলেজ। এই দূষণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এই অবস্থায় বাঁচতে গেলে প্রকৃতির উপরে নির্ভর করতে হবে। তাই সাহায্য নিতে হবে বৃষ্টির কিন্তু এই সময় বৃষ্টি কোথায় তাইতো কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর চিন্তা-ভাবনা করছে আইআইটি কানপুর
। মিশে গেছে কত বিষ রাজধানীর বাতাসে। মানুষের শরীরে ঢুকে যাচ্ছে এই বিষ। দূষিত বাতাসের ফলে প্রতিদিন হাঁপানি এবং শ্বাসকষ্টের ক্লিনিক গুলিতে প্রচুর মানুষের ভিড়। কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়পত্র দেয় তবে আগামী একুশে নভেম্বর কৃত্রিম বৃষ্টি নামানো হবে দিল্লিতে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন দিল্লিতে কৃত্রিম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আপাতত সুপ্রিম কোর্টে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে তারা সায় দিলে ব্যাপারটা যাবে কেন্দ্রের কাছে। কৃত্রিম বৃষ্টিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ক্লাউড সিদিং। যেখানে মেঘে বৃষ্টি কণা তৈরি করতে সাহায্য করে, মেঘের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হয় সিলভার আয়োনাইড বা পটাশিয়াম আয়োনাইড। যা মেঘের ঘনত্ব বাড়িয়ে বৃষ্টি কণা তৈরি করে। বায়ুমণ্ডল সাফ হয়ে যায় এর ফলে। দূষিত কনা কমে যায় বাতাসে ধুলো ধোঁয়া সবকিছুই দ্রবীভূত হয়ে যায়। এমনকি হঠাৎ করে কুয়াশা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বিভিন্ন দেশের দাবানল লাগলে কৃত্রিম বৃষ্টির সাহায্য নেওয়া হয়। এছাড়া ব্যাপক বায়ু দূষণ রোধ করতে সাহায্য করে কৃত্রিম বৃষ্টি। কৃষি ক্ষেত্রে জল সেচে দারুন উপযোগী এই কৃত্রিম বৃষ্টি। এই বৃষ্টি নামানো মোটেও মুখের কথা নয় কারণ এতে রয়েছে প্রচুর খরচ।
আনুমানিক তেরো কোটি টাকা খরচ হবে দুটি ধাপে এই বৃষ্টি নামাতে। প্রতি স্কয়ার বর্গ মিটারে খরচ প্রায় এক লক্ষ টাকা। মেঘের উপর সিলভার আয়োনাইড বা পটাশিয়াম আয়োনাইড ছাড়াতে বিমান ভাড়া লাগবে কয়েক লাখ টাকা। এই বিপুল খরচ বহন করবে দিল্লি সরকার তবে কেন্দ্রের তরফ থেকে এখনো অব্দি কোনরকম সংকেত পাওয়া যায়নি।।

