বারবার মানুষের অস্তিত্ব প্রমাণ করবার জন্য নতুন নতুন কার্ডের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে মোদি সরকার। বেশ কয়েক বছর ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্ট জানিয়ে দেন এবারে গোটা দেশের মানুষের পরিচয় পত্র হতে চলেছে শুধুমাত্র আধার। আধার কার্ডের নম্বর স্বতন্ত্রীকরণে বিশেষ সাহায্য করবে দেশবাসীকে। কিন্তু সেসব নাকি অতীত আধার নয় এবার একমাত্র নথি হিসেবে ব্যবহার করা হবে জন্মসংসাপত্র। সরকারি বেসরকারি সর্বত্র ক্ষেত্রেই এই জন্মসংসাপত্র বাধ্যতামূলক বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
হঠাৎ করেই নয়, বরং বিরাট বৈঠকের পর রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে আধার কার্ড তৈরির আবেদন এমনকি বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সরকারি চাকরি বা বেসরকারি চাকরিতে নিযুক্তি সবকিছুতেই ব্যবহার করা হবে এই জন্ম সার্টিফিকেট বা বার্থ সার্টিফিকেট। আগামী অক্টোবর মাসের প্রথম দিন থেকেই জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত জাতীয় রাজ্য এবং বেসরকারি স্তরে তথ্য ভান্ডার হিসেবে কাজ করবে এই শংসাপত্র। বাদল অধিবেশনে ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিল পেশ করে দিয়েছে মোদি সরকার। জন্ম এবং মৃত্যু সংক্রান্ত তথ্য নিখুঁতভাবে পরিমার্জন করার নির্দেশ মোদী সরকারের। সরকারি সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সমতা আসবে বলেই বিশ্বাস সরকারের।লোকসভায় বিলটি পেশ করে এমনই দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়। তিনি আরো জানিয়েছেন, আধার কার্ডের পরিপূরক কখনোই হতে পারবেনা জন্ম সংসাপত্র
। তবে যাদের জন্মসংসাপত্র নেই তারা কি করবেন। সেই ব্যাপারে এখনো অবশ্য কিছু দিক নির্দেশিকা জারি করেনি মোদি সরকার তবে এই নিয়ে বিরোধীরা কটাক্ষ করেছে। এটা আসলে এনআরসি কিংবা সিএএর একটা নামান্তর।

