ফুল মানেই ঈশ্বরের এক অত্যাশ্চর্য দান। প্রকৃতির অন্যতম সুন্দর এক অবদান এই ফুল। ফুল যেমন আমরা সৌন্দর্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার করি কেমন গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজোর মতন ঈশ্বরের আরাধনাতেও ফুলের ব্যবহার করা হয়। এই পৃথিবীতে বেশিরভাগ ফুলে রয়েছে সুগন্ধ খুব কম ফুল রয়েছে যার থেকে নির্গত হয় দুর্গন্ধ। এই পৃথিবীতে থাকা বিভিন্ন ধর্মে ফুলের আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। তবে সব ধর্মেই ফুল ছাড়া পুজো অসম্পূর্ণ। তবে আপনি কি জানেন বেশ কয়েকটি ফুল রয়েছে যেগুলি বাড়িতে কিংবা শোবার ঘরে রাখলে মা লক্ষ্মী স্বয়ং অধিষ্ঠিত হন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী কিছু কিছু ফুল বাড়িতে রাখা অত্যন্ত ভালো।
এই ধরনের ফুল বাড়িতে থাকলে যে কোন অশুভ শক্তি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় এছাড়া শুভশক্তির আগমন ঘটে। বিশেষ করে মা লক্ষ্মী আপনার বাড়িতে অচঞ্চলা হয়ে থাকবেন যদি এই ফুল আপনি বাড়িতে রেখে দেন। ধর্ম শাস্ত্র অনুযায়ী কিছু বিশেষ রঙের ফুল কিছু বিশেষ দেবতার পূজো এই জন্যই বলা হয় যে দেবতা যে ফুলের সন্তুষ্ট। মনের ইচ্ছে পূরণ করবার ক্ষেত্রেও ফুলের নাকি এক অনস্বীকার্য ভূমিকা রয়েছে এমনটাই বলছে জ্যোতিষ শাস্ত্র। চার ধরনের ফুল ঘরে রাখার কথা বলা হয় জ্যোতিষ শাস্ত্রে। আপনার বাড়িতে কি এই ফুলগুলি আছে তবে আপনি দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ। এই ফুলগুলি বাড়িতে রাখলে হয় না অর্থের অভাব শান্তি বজায় থাকে বাড়িতে। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে হলুদ গাঁদা ফুল। কেবলমাত্র বাগানে কিংবা চাষের জমিতেই নয়, গাঁদা ফুল শোভা পেতে পারে আপনার বাড়িতেও। প্রতি শুক্রবার গাঁদা ফুল দিয়ে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করুন বিশেষ করে নারায়নকে এই দিন গাঁদা ফুল অর্পণ করতে পারেন। লাল গোলাপ বাড়িতে রাখা অত্যন্ত শুভ বিশেষ করে শোবার ঘরে লাল গোলাপ রাখলে স্বামী স্ত্রীর প্রেম জীবন ভরপুর হয়ে ওঠে।। এছাড়া মা লক্ষ্মীকে সন্তুষ্ট করতে তাকে গোলাপ নিবেদন করতে পারেন। গোলাপ ফুলের সুগন্ধ লক্ষীকে আকর্ষিত করে। পান পাতার মধ্যে গোলাপের পাপড়ি। শুনতেই কত মিষ্টি লাগছে তাই না? আপনি কি বাজারে প্রচুর টাকার ঋণ করেছেন দেনার দায় ডুবে রয়েছেন তবে চিন্তা করবেন না! আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে পান পাতায় গোলাপের কয়েকটি পাপড়ি রেখে মা লক্ষ্মীকে নিবেদন করুন। বাড়িতে পলাশ রাখলে তা শুভ বলে গণ্য হয়।
একটি নারকেলের সঙ্গে পলাশ বেঁধে আলমারির কোনায় আটকে দিন। এতে আপনার বাড়ি থেকে কখনো সৌভাগ্য কাছছাড়া হবে না। বাড়ির বাইরে জবা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন তবে মনে রাখবেন লাল জবা হতে হবে সেখানে যাতে পর্যাপ্ত সূর্যের কিরণ পড়ে। নতুন অফিস কিংবা কর্ম ক্ষেত্রে যাবার আগে মা কালীকে সেই জবা অর্পণ করে যান। আপনার উন্নতি কেউ আটকাতে পারবেন না

