প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। অযোধ্যায় নিজের ঘরে ফিরেছেন তিনি। ৫০০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটেছে বাইশে জানুয়ারি। বিভিন্ন ভক্ত বিভিন্নভাবে ভগবানকে পূজা-অর্চনা করে থাকেন। কিন্তু অন্যান্য সব দেবতার মতই রামলালাকে পুজো করার রয়েছে কিছু রীতিনীতি। শিব দুর্গা কালী কিংবা জগদ্ধাত্রী মতন দেব দেবীকে যেভাবে আরাধনা করা হয় সেভাবেই আরাধনা করা হবে ভগবান বিষ্ণুর অবতার রামচন্দ্রের। আর এই আরাধনা করবেন যিনি তিনি হলেন মহিত পান্ডে। রামলালার প্রধান পূজারি তিনি জানেন তার বেতন কত। কিভাবে তিনি পুজো করবেন রামলালার।
কি কি শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে তার। মোহিত পান্ডে দুধেশ্বর নাথ বৈদ্য বিদ্যাপীঠ থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন সেখান থেকেই তার সংস্কৃতি প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন। সামবেদের প্রতি ছিল তার অকুণ্ঠ ভালোবাসা সাত বছর তিনি সামবেদ নিয়ে চর্চা করেছেন এরপরে আচার্য ডিগ্রি পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি সামবেদ নিয়ে গবেষণা করবার প্রস্তুতি নিতে চলেছেন। তবে ভারতের এইরত্নকে এমনি এমনি খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাম মন্দিরে পূজারী হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন প্রায় তিন হাজার জন।। তার মধ্য থেকে কঠোর সংযমী কুড়িজনকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। সকলকে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল পূজারীর বয়স কমপক্ষে কুড়ি এবং সর্বাপেক্ষা ত্রিশ বছর হতে হবে। অবশ্যই তাকে দীক্ষা নিতে হবে এবং সেই দীক্ষা হবে রাম নন্দনীয়। প্রাচীন ভারতে যেমন গুরু শিষ্য পরম্পরা শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল সেই অনুযায়ী তাকে গুরুকুল শিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষিত হতে হবে। অর্থাৎ কঠোর নিয়ম এবং নীতি শাসনের বেড়াজালে বেধে দেওয়া হয়েছিল। কত বেতন দেওয়া হবে তাকে। সাধারণত এই ধরনের নিত্য পূজার মন্দিরে যারা সারা বছর পূজারী হয়ে থাকেন তাদের মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করা হয়। অস্থায়ী যে রাম মন্দির ছিল তার পুরোহিতরা মাসে ১৫০০০ টাকার বেশি বেতন পেতেন। সহকারি পুরোহিত পেতেন নয় হাজার টাকা। তবে সেই অর্থের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে সম্প্রতি।
রাম মন্দির জন্মভূমি ট্রাস্ট জানিয়েছে প্রধান পুরোহিত এবার থেকে বেতন পাবেন ৩২ হাজার ৯০০ টাকা।। সহকারী পূজারি বেতন পাবেন ৩১ হাজার টাকা। এছাড়া দক্ষিণা বাবদ আলাদা করে মিলবে অর্থ। যে রাম মন্দির নিয়ে এত মাতামাতি তার পূজারী বাছাইতে এমন বাহুল্যতা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক নয় কি

