আদালত তাকে জানিয়ে দিয়েছিল ১০ই অক্টোবরের আগেই যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে।ইডি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের কোম্পানির যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে। আর সেই কারণে অভিষেক এবং তার পরিবারের সকলের সম্পত্তির ও কোম্পানির আয় ব্যয়ের হিসাব জানতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ই ডি তাদের তদন্তভার অত্যন্ত স্লথ গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে তিরস্কার করে কলকাতা হাইকোর্ট।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অভিষেকের সম্পত্তি নথি যোগাড় করতে নির্দেশ দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। সময় বেঁধে দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়নি কোন রকম রক্ষাকবচ। এরপর অভিষেক এবং তার গোটা পরিবারের ডাক পড়ে। সেই ডাকে অবশ্য সাড়া দেননি অভিষেকের মা এবং বাবা। উল্টে ২০০০ পাতা নথি পাঠিয়ে দিয়েছেন তারা। শুক্রবার অভিষেকের মা যাননি সিজিও কমপ্লেক্সে একইভাবে দ্বিতীয় দিন তার বাবাও গেলেন না সিজিও কমপ্লেক্সে। তবে জানা গিয়েছে হাজিরা না দিলেও অভিষেকের মা এবং বাবা তাদের ১০০০ পাতা করে নথি পাঠিয়েছেন। আইনজীবী মারফত এই নথি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ইডি দপ্তরে। আর্থিক অনিয়মের তদন্তের সূত্রে অভিষেকের মা এবং বাবাকে রাডারে এনেছে ইডি। কিন্তু তাদের দুজনের সঙ্গেই বসে কথা বলতে পারেন নি আধিকারিকরা কারণ তারা দুজনেই অনুপস্থিত ছিলেন। জানা যায় অভিষেকের কোম্পানি লিপস এন্ড বাউন্ডসের ডাইরেক্টর পদে ছিলেন অভিষেকের মা এবং বাবা লতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই তাদের ডেকে পাঠানো হয়েছিল। এই কোম্পানির অন্যতম মুখ্য পদে ছিলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় কৃষ্ণভদ্র যিনি নিয়োগ-দূর্নিতি মামলায় এখন জেল খাটছেন। তার মুখ থেকেই প্রথমে অভিষেকের ও তার গোটা পরিবারের নাম পাওয়া যায়। অভিষেকের কোম্পানির সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির জোকসাজসপাওয়া যায়। এর আগে কয়লা পাচার দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে ডাকা হলে তিনি হাজিরা দেন কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতিতে একবারের জন্যও সাড়া দেননি অভিষেক।
এবারেও অভিষেককে ডাকা হয়েছে।ডাক পেয়েছেন তার স্ত্রী রুজীরা। তারা আদৌ সাড়া দেবেন নাকি এভাবেই নথি পাঠিয়ে কাজ সারবেন সেটা অবশ্য ক্রমশ প্রকাশ্য। তবে স্রেফ নথি পাঠিয়ে কি কেন্দ্রীয় এজেন্সির কোপ থেকে বাঁচতে পারবে ব্যানার্জি পরিবার?

