আগের ভুল থেকে অনেক বড় শিক্ষা নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তাই এবার আর তারা কোন প্রকার রিস্ক নিতে চাননি। বহুদিন আগে থেকেই চলছিল জল্পনা কল্পনা আর সবরকম ভাবে তারা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। তবে এবারে তারা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মনে করছেন আর কোনরকম বাধা বিঘ্ন আসবে না সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করবে তাদের চন্দ্রযান তিন। বাঙ্গালীদের কাছে গর্বের বিষয় যে এই অভিযানে নেতৃত্বে রয়েছেন একজন বাঙালি বিজ্ঞানী। ঠিকই শুনেছেন এবারও কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলার জয়জয়কার।
তবে তিনি বাঙালি হলেও পার্শ্ববর্তী রাজ্যের অসমের বাসিন্দা অসমের তেজপুরে ডিপার্টমেন্ট অফ ইলেকট্রনিক্স এবং কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন তিনি।। বর্তমানে ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টারে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানী। সেই সঙ্গে তিনি একজন ইঞ্জিনিয়ার। ইসরোর ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস এডিশনালি তিনি অন্যতম উদ্যোক্তা। শুক্রবার দুপুর ২ টা ৩৫ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছে এই চন্দ্রযান। দুপুর ১২ টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এর কন্ট্রোলিং দায়িত্বে রয়েছেন চয়ন দত্ত। বাঙালি এই সফল বিজ্ঞানী। চাঁদের মাটিতে সফলভাবে যাতে অবতরণ করতে পারে তার সেটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথা রয়েছে তার। প্রথমবার ব্যর্থতা তারপর যথেষ্ট সতর্ক হয়ে গিয়েছে isro। এমনকি পজিশন চেঞ্জ করা হয়েছে।আগে চন্দ্রযান যেখানে ল্যান্ড করা হয়েছিল সেখান থেকে অনেকটা দূরে অবতরণ করবে এবারের চন্দ্রযান।
পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে যাতে সুরক্ষিতভাবে বেরিয়ে চাঁদের কক্ষপথে অবস্থান করতে পারে সেদিকেও দেখা হচ্ছে। চাঁদের পিঠে কিভাবে সফলভাবে তা অবতরণ করবে সেটা নিয়েও বিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছে নানান উত্তেজনা। এদিকে চন্দ্রজান উৎক্ষেপণ করার আগেই তিরুপতি বালাজি মন্দিরে পুজো দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা আশাবাদী চূড়ান্তভাবে সফল হবেন তারা

