ফের যোগদান তত্ত্ব খাড়া করলেন শুভেন্দু। আর কয়েকটা বছরের মধ্যেই নাকি ফাঁকা হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ সবাই এসে ভিড় করবে তাদের দলে। ইতিমধ্যেই ভবিষ্যৎবাণী করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু, চক্রান্ত করে গ্রেফতার করিয়েছে, এমনটাই দাবি করেছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আমাকে সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছে। শাসক দলকে,একহাত নিয়েছিলেন শুভেন্দু।
এবার তিনি জানিয়ে দিলেন তৃণমূল নাকি ফাঁকা হয়ে যাবে ৭০ জন চেয়ারম্যান এবং ১৪ জন বিধায়ক সকলেই দুর্নীতিতে যুক্ত। তার মধ্যে আবার ৮০ জন বিধায়ক আসতে চাইছেন তাদের দলে। যার ফলে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেতে চলেছে বাংলার শাসক দল বলেই মনে করছেন শুভেন্দু। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যের বিরোধীদল নেতা তিনি বলেন বাংলায় বর্তমান সরকারের মন্ত্রী থেকে জনপ্রতিনিধিরা চুরি আর ছিনতাইয়ের সঙ্গে যুক্ত খোলস ছেড়ে তাদেরকে বার করে আনছে ইডিসিবিআই। শিক্ষা থেকে খাদ্য সবই এখন জেলে খুব তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্য যাবে। তিনি বলেন পার্থ অর্পিতা কেষ্ঠ শায়গল আর বাকিবুর বালু সবাই একই মডেল। বেনামে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের যে কত সম্পত্তি রয়েছে তার একটা হিসাব তুলে ধরেন শুভেন্দু, নিজের মোবাইলে ছবি দেখান, দীঘায় কোথায় কোথায় হোটেল কিনে রেখেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তবে কি দুর্নীতি থেকে গা বাঁচাতেই এবার বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে নিজেদের ধৌত কারণে যাবে তৃণমূল বিধায়করা। নাকি কেবল ধমকানির জন্যই তৃণমূলকে একটাb বার্তা দিলেন শুভেন্দু।
তবে কোন কোন বিধায়ক আর কাউন্সিলররা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নিয়মিত সেই ব্যাপারে অবশ্য কিছুই জানাননি শুভেন্দু অধিকারী। এদিন একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চোর মমতা বলেও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। চোরের দল থেকে একে একে সবাই বিদায় নিয়ে তাদের দলে ভিড়বে বলেও মত প্রকাশ শুভেন্দুর

